প্রযুক্তির খেলা ব্লগস্পট থেকে তার নিজস্ব ডোমেইনে
তাই ভিজিট করুন আমার সাইটে www.projuktirkhela.com

to stay updated on our progress.

শনিবার, আগস্ট ২৪

গ্রাফিক রিভারের A2Z টিউটিরিয়াল

সবাইকে শুভেচ্ছা ও সালাম জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের টিউটিরিয়াল
আজকের বিষয়ঃ গ্রাফিক্স রিভার ডট নেট

যারা এই পোস্টটি পড়ছেন আশা করি তাদেরকে এই কথা বলার দরকার নেই যে, গ্রাফিক রিভার কি? তারপরও যারা জানেন না তাদের সংক্ষেপে বলছি এই সাইটি হল এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার গ্রাফিক্স আইটেম গুলা বিক্রয় করতে পারবেন। আসলে আমি এই টপিকে পোস্ট করতে চাইনি। তবে গ্রুপ ও ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা অনেকের কথায় পোস্টটি লিখলাম।

এই পোস্টের প্রধান উদ্দেশ্য হল নতুনদের শেখা। গ্রুপে অনেকেই আছেন যারা কাজ পারেন কিন্তু গ্রাফিক রিভারের নিয়ম কানুন না জানার কারণে ফাইল আপলোড দেওয়ার আথ্রিটি ও ফাইল আপলোড দিতে পারছেন না। তাই আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে দেখানো হবে কিভাবে একটি একাউন্ট খোলার পর, ফাইল আপলোড দেওয়ার অনুমতি পাওয়া যায়।

একজন অনুমতি প্রাপ্ত অথোর কিভাবে হবেন?

প্রথেমই আপনার গ্রাফিক রিভার একাউন্টে প্রবেশ করুন তারপর আপনার ইউজার নামের উপর মাউস রাখুন। দেখবেন নিচের দিকে একটি ড্রপডাউন মেনু এসেছে। 

দেখুন এখানে Become an Author নামে একটি অপশন আছে এখানে ক্লিক করুন। এইখানে ক্লিক করলে দেখবেন নতুন একটি পেজ এসেছে। নতুন পেজ আসার পর একটু নিচের দিকে নামতেই দেখবেন Take the author quiz এইখানে ক্লিক করবেন। এইখানে ক্লিক করলে দেখবেন ১০ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলবে। আপনি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে আপনাকে তারা ফাইল আপলোডের অনুমতি দিবে।

১০টি প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিবেন?
আসলে এই দশটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া খুবই সহজ। তারপরও যদি কেঊ না পারেন তাহলে আমি একটি লিংক দিচ্ছি এখান থেকে আপনি আপনার উত্তর গুলা খুজে বের করে নিন খুব সহজেই। প্রথমেই এই লিংক এ প্রবেশ করুন। তারপর আপনার যেই যেই প্রশ্নের উত্তর দরকার তা কপি করে Ctrl+F এর সাহায্যের খুজে নিন। অবশ্যই কোন পোস্ট ওপেন করবেন না। শুধুমাত্র Ctrl+F এর সাহায্য নিবেন।

কিভাবে একটি আইটেম আপলোড দিবেন?
এবার আমরা দেখব কিভাবে একটি বিজনেস কার্ড আপলোড দেওয়া যায়। আমি যথেস্ট বিস্তারিত লেখার চেস্টা করেছি, ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী।

প্রথমেই এই লিংক এ প্রবেশ করুন এবং Print Template সিলেক্ট করুন। তারপর Next চাপুন। তারপর নতুন একটি পেজ আসবে (নিচের ছবির মত)।

১. এইখানে আপনার আইটেমর নাম দিবেন;
২. এইখানে আপনার আইটেম সম্পর্কে কিছু কথা লিখবেন। যেমনঃ এতে কি কি Features      আছে কি কি ফন্ট ব্যবহার করেছেন সব লিখবেন।
৩. এইখানে আপনি আপনার আইটেম গুলা আপলোড দিবেন।
·        প্রথমে প্রিভিঊ ইমেজ আপলোড দিতে হবে ( প্রিভিউ ইমেজের সাইজ পাশে ৫২০ পিক্সেল আর লম্বা আপনার যতটুকু দরকার পরে। আর ইমেজের ফরমেট হতে হবে অবশ্যই JPG )
·        তারপর একটি ছোট ইমেজ। যার সাইজ (80x80)px পিক্সেল। এইটিও JPG হতে হবে।
·        এবার আপনার মেইন ফাইল আপলোড দেওয়ার পালা। আপনার মেইল ফাইল আপলোড দেওয়ার আগে কিছু কাজ করতে হবে তা হলঃ
o   একটি txt ফাইল বানাতে হবে যার মধ্যে আপনার কার্ডের সকল তথ্য থাকবে। যেমন আপনার কার্ডে কি কি Features     আছে এবং আপনার কার্ডে কি কি ফন্ট ব্যবহার করেছেন তার নাম সহ লিংক দিতে হবে। এবং সাথে একটি হেল্প টেস্ট দিতে হবে তা পিডিএফ হলে ভাল। এই হেল্প টেস্টে আপনি লিখবেন কিভাবে এই কার্ডটি এডিট করতে হবে।
o   তারপর এই আপনার মেইন ফাইল, txt ও পিডিএফ ফাইলটিকে একসাথে করে জিপ করতে হবে। জিপ করতে সকল ফাইল গুলা সিলেক্ট (আপনার প্রিভিঊ ও থাম্বনাইল ইমেজ বাদে) করে আপনার মাউসে রাইট বাটনে ক্লিক করে Compressed (Zipped)Folder এ ক্লিক করুন। অবশ্যই rar,7zip অথবা অন্য কোণ সফটওয়ার ব্যবহার করবেন না জিপ করার জন্য।
৪. আপনার ফাইল গুলা আপলোড হয়ে গেলে, এইখানে প্রিভিউ ইমেজটিকে সিলেক্ট করে দিন।
৫. এইখানে আপনার ছোট ইমেজটিকে সিলেক্ট করে দিন (80x80)পিক্সেলের ছবিটি।
৬. এইখানে আপনার মেইন ফাইলটি আপলোড করে দিন। যেটি আপনি জিপ করেছিলেন।
৭. আপনি যদি আরো Screenshot দিতে চান আপনার বায়াদের জন্য। আপনি এখানে আরো কিছু ছবি আপলোড দিতে পারেন, তবে আপনার ইমেজ গুলোকে অবশ্যই জিপ করে আপলোড দিবেন।
৮. আমরা যেহেতু বিজনেস কার্ড আপলোড দিচ্ছি, সেহেতু এখানে আপনি Business card Category সিলেক্ট করুন।
৯. তারপর আপনি যেই কাজটি করেছে সেটিতে যদি লেয়ার থাকে তাহলে Yes দেন আর না থাকলে No দিন।
১০. আপনি যেই ফাইলটি আপলোড দিয়েছেন, সেটি কোন ফাইল তা এইখানে দিন। যদি Illustrator তাহলে Vector EPS দিন, আর যদি বা Photoshop হয় তাহলে Photoshop PSD সিলেক্ট করুন।
১১. আপনার সফটওয়্যারটি কোন ভার্সনে করা তা সিলেক্ট করে নিন। যেমনঃ CS2,CS5,CS6
১২. এইখানে আপনার কার্ডের সাইজ দিয়ে দিন। যেমন একটি ইন্টারন্যাশনাল সাইজ 3.5x2 inches
১৩. এইখানে আপনি আপনার কার্ডের ট্যাগ দিন। যেমনঃ colorful,color,milticolor,card,personal,business,mordan,creative,new,awesome,print,cmyk,cool,exclutive,print ready ইত্যাদি।
১৪. এইখানে আপনি একটি কমেন্ট করুন। রিভিউয়ারকে উদ্দেশ্য করে। যেমনঃ Thank You for reviewing my item. :D এবং নিচে যেই টিক চিহ্নটি আছে সেটিতে ক্লিক করুন।
১৫. এবার সর্বশেষ যেই কাজ, সেটি হল আপলোড বাটনে ক্লিক করুন।



এবার আপনি আপনার ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করুন দেখবেন আপনার ড্যাশবোর্ডের হাতের ডান পাশে একটি অপশন দেখবেন, নিচের ছবির মত; এটি সম্পূর্ন হতে প্রায় ১০ দিন লাগবে আবার এর আগেও হতে পারে। সাধারণত একটি প্রিন্ট টেমপ্লেট Approve হতে প্রায় ১০ দিন সময় নেয়।


অবশেষ কিছু কথা আমি নিজেই গ্রাফিক রিভারের একজন নতুন মেম্বার। আমি সাধারণত লোকাল ও বিভিন্ন ফ্রিলেক্সার সাইটে কাজ করতাম তবে ইদানিং গ্রাফিক রিভারে কাজে আগ্রহী হয়ে উঠি। এবং আল্লাহর রহমতে অনেক সারা পেয়েছি। আমার গ্রাফিক রিভারেরএকাউন্ট যদি ভাল লাগে ঘুরে আসবেন আর পারলে ফলো করবেন,  আমার আইডি।  আমার এই পোস্টে যদি কোণ প্রকার ভুল হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজ এই পর্যন্ত বিদায় নিচ্ছি।

বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৫

এনিমিটেড ব্লগার গেজট, রমজান উপলক্ষে। অবশ্যই দেখবেন।

আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আসা করি অনেক ভাল আছেন। অনেক দিন ধরে লিখতে বসি না। আজ বসলাম তারপরও কোণ টপিক পাচ্ছিলাম না। এত দিন একটু ফ্রিলেন্সিং নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম। আমার কিছু কাজ দেখতে পারেনঃ
আসলে এই পোস্টি রমজানের প্রথমে করলে ভাল হত। আসলে প্রথমেই করতাম কিন্ত ঐ যে বললাম ফ্রিলেন্সিং এ ব্যাস্ত ছিলাম। যাই হোক আমি আজ একটি গেজট শেয়ার করব সেটি অবশ্যই রমজান নিয়ে। নিচে থেকে তৈরী ফ্লাস দিয়ে। তাই আপনার কম্পিউটারে অবশ্যই ফ্লাস থাকতে হবে।
এর লাইভ ডেমো দেখার দরকার নাই, দেখতে দারুন সুন্দর। তারপরও দেখতে চাইলে নিচের থেকে দেখে নিন। এই swf ফাইল থেকে ভিডিও করা তাই একটু ঘোলাটে দেখাচ্ছে। 


কিভাবে এটিকে আপনার ব্লগে যুক্ত করতে পারবেন?
প্রথমেই আপনার ব্লগে প্রবেশ করুন > তারপর টেম্পেল্ট অপশনে যান > এবার এডিট অপশনে যান সেখানে গিয়ে </body> ট্যাগটি খুজে বের করুন। তারপর নিচের কোডটি এর উপরে দিয়ে সেভ করে দিন।

<div align="center">
<table border="0" width="900" cellspacing="0" cellpadding="0">
<tr>

<td width="900" height="0">
<div style="float:top right; position:absolute; overflow:visible; left:45px; top:0px; height:192px; width:144px z-index: 9999;">

<object classid="clsid:D27CDB6E-AE6D-11CF-96B8-444553540000" id="obj2" codebase="http://download.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=6,0,40,0" border="0" width="192" height="144"><param name="movie" value="http://mybloggerlab.com/Scripts/stardima.swf"/><param name="quality" value="High"/><param name="wmode" value="transparent"/><embed src="http://mybloggerlab.com/Scripts/stardima.swf" pluginspage="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" type="application/x-shockwave-flash" name="obj2" width="192" height="144" quality="High" wmode="transparent"></embed></object>
   </div>
  </td>
 </tr>
 </table>
</div>

ভাল লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন যেটা সবচেয়ে বড় কথা সেটা হল রোজা রাখবেন।

বৃহস্পতিবার, জুলাই ৪

আমার ব্যবহার করা সেরা এন্ড্রয়েড এর ১০টি Apps

অ্যানড্রয়েড কি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ অ্যানড্রয়েড সম্পর্কে সবাই অবগত। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অ্যানড্রয়েড এর অবকাশ ঘটে। আর আস্তে আস্তে এর প্রভাব বিস্তার করে আজ সবার মুখে মুখে অ্যানড্রয়েড। আমি ২০১১ এর শেষের দিক অর্থাৎ ২০১২ এর প্রথম দিক থেকে অ্যানড্রয়েড ব্যবহার করে আসছি। আর তখন থেকে এখন পর্যন্ত আমি অসংখ্য Apps ব্যবহার করেছি। তবে এর মধ্যে কিছু কিছু Apps আমার কাছে অনেক ভাল লেগেছে। আর আমি আপনাদের কাছে সেই Apps গুলো শেয়ার করব। আশা করি আপনাদেরও আমার মত অনেক ভাল লাগবে এই Apps গুলো। আশুন দেখে নেই কোন Apps গুলো।


এই App টি সাধারণত ছবি এডিট করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। আমরা অনেকেই আছি যারা ছবি তুলতে খুব বেশী ভালবাসি আর তারচেয়েও বেশী ভালবাসি সেই ছবিকে এডিট করতে। আর ছবি এডিট করার জন্য আমি এই App টি ব্যবহার করতাম। এটি আমার কাছে খুবই ভাল লাগে। আমি জানি আরো অনেক App আছে, তবে আমার কাছে এই App টি অনেক ভাল লাগে।

বাংলা আমাদের মায়ের ভাষা। তাহলে এই বাংলা ভাষাকে কেন আমরা পিছিয়ে রাখবো। এই App টি সাধারণত আপনার অ্যানড্রয়েড ফোনে বাংলা লেখার জন্য কাজে লাগে। এই App টি দিয়ে আমরা আমাদের অ্যানড্রয়েড ফোনে বাংলা লিখতে সক্ষম হবো। যেমনঃ ফেসবুকে, টুইটারে, মেসেজে সহ আরো অনেক জায়গায়।


ইংরেজী থেকে বাংলা কারার জন্য তো সবসময় ডিক্সেনারী নিয়ে থাকা সম্ভব না। এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে এই App টির ব্যবহার। এই App টি দিয়ে আপনি আপনার ইংরেজী শব্দের বাংলা অর্থ জানতে পারবেন।


আমাদের অনেক বন্ধুই আছে যারা অন্য বন্ধুর পার্সোনাল ডেটা নিয়ে টানাহিচরে করতে ভালবাসে। এইসব বন্ধুদের হাত থেকে আপনার ডেটা বাঁচাতে এই- টির ব্যবহার। এই App টি খুবই ছোট এবং কার্যকরী। এর মাধ্যমে আপনি আপনার ডেটা গুলোকে আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ডে লক করতে পারবেন।


এটি একটি ওয়ালপেপার। এই-টি একটি মাছের ইকুরিয়াম দিয়ে তৈরী এবং এই ওয়ালপেপার এর মাধ্যের টাচ ইফেক্ট হয় যখন আপনি মোবাইলের ডিস্পেলেতে হাত দিবেন। এটি দেখতে অসাধারণ।


এটিও একটি ওয়ালপেপার। এটির নাম দেখেই বুঝতে পারছেন যে এটি কেমন হবে। আসেই এই ওয়ালপেপারটিতে সূর্য ডুবতে শুরু করেছে এবং এর মধ্যের দিয়ে কিছু পাখি ঊরে যাচ্ছে । সব কিছু মিলিয়ে দারুন একটি ওয়ালপেপার।



ADVANCED SYSTEM CARE সাধারণত কম্পিউটারকে কেয়ার কারার জন্য ব্যবহার হত। তবে তারা অ্যানড্রয়েড ফোনকেও সুরক্ষা দিতে এখন ADVANCED MOBILE CARE পাওয়া যায়। আমি এটি ব্যবহার করি এবং আগামীতেও করব। অনেক দারুন একটি Apps। মোবাইলকে দারুন ভাবে সুরক্ষা দেয়।


এটি একটি অসাধারণ ব্রাউজার। আমি এটি আমার প্রথম অ্যানড্রয়েড ফোন থেকে ব্যবহার করছি। এই ব্রাউজারটির ব্যাপারে কিছু বলার নেই এক কথায় অসাধারণ। ব্যবহার করে দেখতে পারেন।


কোরআন ১ম পারা থেকে ৩০ পারা পর্যন্ত সম্পূর্ন বাংলা ও আরবীতে একসাথে। এই অসাধারণ App টিতে আমি যেই পর্যন্ত পড়বেন সেই জায়গাকে বুকমার্ক করে রাখতে পারবেন। এর কারণে পড়তে অনেক শুবিধা হয়।


ধারুন একটি গেমস। এই App টি নিয়ে কিছু বলার নেই। আপনি ডাউনলোড করে দেখতে পারেন। কঠিন একটি গেমস।


শুক্রবার, জুন ২৮

নতুন ফ্লাগশিপ স্মার্টফোন 'এক্সপ্লোরার ডব্লিউ ১৫০

সিম্ফনির নতুন এই ডিভাইসটিতে থাকছে ৪.৭" আইপিএস এইচডি (৭২০x১২৮০ পিক্সেল) ক্যাপাসিটিভ টাচ ডিসপ্লে এবং ১.২ গিগাহার্টজ কোয়াডকোর প্রসেসর। প্রসেসর একই ধরনের হলেও ওয়ালটনের প্রিমো এক্স১ এ সুপার AMOLED  ডিসপ্লে থাকায় ডিভাইসটি এদিকদিয়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া ডিভাইসটিতে র‍্যাম আছে ১ গিগাবাইট এবং রম ৪ গিগাবাইট। গ্রাফিক্স প্রসেসিং এর জন্য আছে PowerVR SGX 544     জিপিইউ। রেয়ার ক্যামেরা আছে ৮ মেগাপিক্সেল যা দিয়ে ৭২০পি মানের ভিডিও ধারন করা যাবে। প্রয়োজনীয় সবকিছু বেশ ভাল মানের হলেও ব্যাটারি নিয়ে আক্ষেপ থেকেই যাচ্ছে বর্তমান ডিভাইসগুলোতে। এক্সপ্লোরার ডব্লিউ১৫০ তে ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৮০০ এমএএইচ ক্ষমতার যা এই মানের স্মার্টফোন বিবেচনায় বেশ কম।


এক নজরে সিম্ফনি এক্সপ্লোরার ডব্লিউ১৫০ এর স্পেসিফিকেশন
  • ৪.৭" আইপিএস এইচডি ক্যাপাসিটিভ টাচ ডিসপ্লে
  • ১.২ গিগাহার্টজ কোয়াডকোর প্রসেসর
  • PowerVR SGX 544  জিপিইউ
  • ১ গিগাবাইট র‍্যাম (ব্যাবহারযোগ্য ৯৭১ মেগাবাইট)
  • ৪ গিগাবাইট স্টোরেজ (রম ১০০৮ মেগাবাইট, স্টোরেজ ১.৬৫ জিবি)
  • ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি কার্ড সাপোর্ট
  • ৮ মেগাপিক্সেল রেয়ার ক্যামেরা, ৭২০পি ভিডিও রেকর্ডিং
  • ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
  • অ্যান্ড্রয়েড ৪.২.১ জেলিবিন
  • ১৮০০ এমএএইচ ব্যাটারি
  • ডুয়েল সিম ডুয়েল স্ট্যান্ডবাই, ৩জি
  • ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, জিপিএস, জি-সেন্সর, কম্পাস
  • প্রক্সিমিটি সেন্সর, অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর, লাইট সেন্সর
  • ৭.৯ মিলিমিটার স্লিম ডিজাইন

স্পেসিফিকেশন এবং ডিজাইন এর দিকদিয়ে ডিভাইসটি বেশ আকর্ষনীয়। মূল্যের দিকদিয়েও কিছুটা চমক দেখাতে চেয়েছে সিম্ফনি। তারা ডিভাইসটির মূল্য নির্ধারন করেছে ১৬,৯৯০ টাকা। প্রধান প্রতিযোগী ওয়ালটনের প্রিমো এক্স১ এর মূল্যের চেয়ে যা প্রায় দেড় হাজার টাকা কম। আর ডিভাইসটির মূল্য এবং স্পেসিফিকেশনের ঘোষনা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দিলেও ঠিক কবে থেকে ডিভাইসটি বাজারে পাওয়া যাবে সে ব্যাপারে কিছু জানায়নি তারা।
অপরদিকে এই ডিভাইসটি ভারতের বাজারে এসেছে Gionee Elife E3  নামে। তবে ওই ডিভাইসটিতে ইন্টারনাল স্টোরেজ ১৬ গিগাবাইট এবং সিম্ফনি ডব্লিউ ১৫০ তে ইন্টারনাল স্টোরেজ ৪ গিগাবাইট। এছাড়া আর কোন পার্থক্য দেখা যায়নি। ভারতের বাজারে ডিভাইসটির মূল্য নির্ধারন করা হয়ছে ১৪,৯৯৯ রুপি। যে কেউ ডিভাইসটি কেনার পূর্বে Gionee Elife E3  এর রিভিউ দেখে নিতে পারেন।


 সূত্রঃ টেক প্রিয়। 

কিছু মনমাতানো আইকন কালেকশন। আশা করি সবার ভাল লাগবে :)

সবাই কেমন আছে? মনে হয় বৃষ্টি ভেজা একটি ঠান্ডা সময়ে সবাই ভাল আছেন। যাই হোক অনেক দিন ধরে আইকন কালেকশন দেই না, তাই আমার নিজে ব্যবহার করা কিছু আইকন আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম। যারা সাধারণত ব্লগার বা ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট করেন তাদের জন্য এই আইকন গুলো।


আইকন নামঃ Cold Fusion HD Icons
আইকন ডেভেলপারঃ লিংক
লাইসেন্সঃ chrisbanks2
আইকন সংখ্যাঃ ৬৮৯টি
ডাউনলোডঃ ডাউনলোড করুন
আইকন নামঃ Media Pin Social Icons
আইকন ডেভেলপারঃ  Iconstoc (Azis Hertanto) 
লাইসেন্সঃ Linkware (Backlink to http://iconstoc.com required)
আইকন সংখ্যাঃ ১৫
ডাউনলোডঃ ডাউনলোড করুন
আইকন নামঃ Purple Glossy Social Icons
আইকন ডেভেলপারঃ GraphicsVibe (Jordan)
আইকন সংখ্যাঃ ১৫
ডাউনলোডঃ ডাউনলোড করুন
আইকন নামঃ Round Social Icons
আইকন ডেভেলপারঃ Brainleaf
লাইসেন্সঃ Freeware
আইকন সংখ্যাঃ ১৬
ডাউনলোডঃ ডাউনলোড করুন
আইকন নামঃ Social Media Beakers Icons 
আইকন ডেভেলপারঃ Iconshock
লাইসেন্সঃ Free for non-commercial use.
আইকন সংখ্যাঃ ১৬
ডাউনলোডঃ ডাউনলোড লিংক
আইকন নামঃ Cold Fusion HD Icons
আইকন ডেভেলপারঃ :Iconstoc (Azis Hertanto)
লাইসেন্সঃ Free for non-commercial use.
আইকন সংখ্যাঃ ২৭
ডাউনলোডঃ ডাউনলোড লিংক

ভাল লাগলে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ এই পোস্টটি পড়ার জন্য

বুধবার, জুন ২৬

Floating Social Media Bar নিন ব্লগারের জন্য।

আমার মনে হয় আপনি অনেক বিরক্তিবোধ করছেন বারবার একই সোশ্যাল গেজেট গুলো দেখতে দেখতে। যতই নতুন আসছে কিন্তু তা দেখতে প্রায় আগের মতই। যেহেতু ইন্টারনেট আপগ্রেড হচ্ছে ভিজিটর আপগ্রেড দেখতে পছন্দ করতে সেহেতু আমাদেরও উচিত আমাদের সাইট গুলোকে একটি আপগ্রেড করা। ভিজিটরা সবসময় সাজানোগোছানো, সুন্দর, সিম্পল এবং প্রফেশনাল দেখতে গেজেটের উপর ভিত্তি করে সাইট ভিজিট করে, যা আমার মনে হয়। অনেক সময় অনেক ভিজিটর সাইটে আসলে সাইট পছন্দ না হলে সাইট থেকে চলে যায়। অর্থাৎ সুন্দেরের উপরও ভিজিটর বাড়ে। যাই হোক কথা না বলে যেই কারণে পোস্ট করেছি তা নিয়ে আলোচনা করি।

Flexible গেজেট

আমি আজ যেই ব্লগার গেজেটি নিয়ে আলোচান করব সেটিকে আপনি আপনার ব্লগারের যেকোন স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন। এটিকে ইচ্ছে করলে আপনি আপনার ব্লগারের ডান পাশে, বাম পাশে, উপরে কিংবা নিচে ব্যবহার করতে পারবেন। আর এই গেজেটি মাউস এর হোভারে তৈরী।

কিভাবে একটিকে ব্লগারে ব্যবহার করা যায়
এই গেজেটি ব্যবহার করা খুবই সহজ তবে আপনাকে নিচের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে। নিচে ৫টি ধাপ এগিয়ে যেতে হবে।

প্রথম ধাপঃ আপনার ব্লগারের প্রবেশ করে >> টেম্পলেট >> এডিট HTML
দ্বিতীয় ধাপঃ আপনাকে </body>  এই কোডটিকে খোজতে হবে। এর জন্য আপনি Ctrl +F এর সাহায্য নিতে পারেন। এবার নিচের কোডটি BODY  কোড এর উপর বসিয়ে দিন
<!-- import Scripts -->
<script type="text/javascript" src="https://mybloggerlab.googlecode.com/files/jquery-1.7.1.min.js"></script>   
<script type="text/javascript" src="https://mybloggerlab.googlecode.com/files/mblsocialbar.js"></script>
<div id="scolder">
<script type="text/javascript" src=" http://mbl-flipper-google-blogger.googlecode.com/files/socialflipmin.js"></script></div>    
<link href='http://mybloggerlab.com/StyleSheet/mblsocialbar.css' rel='stylesheet' type='text/css'/>
 
<!-- MBL Social Media Bar For Blogger -->  
<script type="text/javascript">
$(document).ready(function(){
$.mblSocialBar({
items: {
twitter: { url: '#', text: 'Follow me on twitter' },
facebook: { url: '#', text: 'Profile on facebook' },
rss: { url: '#', text: 'RSS Feed' },
google: { url: '#', text: 'Profile on google+' },
youtube: { url: '#', text: 'Profile on youtube' },
orkut: { url: '#', text: 'Profile on orkut' },
myspace: { url: '#', text: 'Profile on myspace' },
digg: { url: '#', text: 'Profile on digg' },
   
},
show: 8,
position: "left",
skin: "clear"
});
   
});
</script>

তৃতীয় ধাপঃ এবার কোডটিকে একটু এডিট করুন,  # চিহ্নটিকে পরিবর্তন করে আপনার লিংক ব্যবহার করুন;
চতুর্থ ধাপঃ এই গেজটি আপনি আপনার ব্লগের কোন জায়গায় ব্যবহার করতে চান। আপনি “Left” “Right” “top”
“bottom” এই কোডগুলো পরির্তন করে নিতে পারেন
পঞ্চম ধাপঃ গেজেটের কালার পাল্টাতে পারেন এর জন্য আপানাকে “clear” এবং “dark”. এই দুটি থীম ব্যবহার করতে পারেন। যেই থীমটি পছন্দ সেটি ব্যবহারের জন্য skin: "clear" এ উপরের দুইটি কোড ব্যবহার করতে পারেন।

আশাকরি আপানাদের কাছে এই গেজেটি ভাল লেগেছে। যদি ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই বলবেন। যদি এটি ব্যবহার করতে কোন প্রকার সাহায্য দরকার পরে তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।


Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Google+ এ যোগ হউন

জনপ্রিয় পোস্ট সমূহ

আমার সম্পর্কে

Search (Don't Edit)

ব্লগ লাইব্রেরী

বিভাগ

ইমেল দিয়ে পোস্ট এর আপডেট পেতে

Subscribe করুন

সম্প্রতিক মত্নব্য

Review projuktirkhela.blogspot.com on alexa.com