প্রযুক্তির খেলা ব্লগস্পট থেকে তার নিজস্ব ডোমেইনে
তাই ভিজিট করুন আমার সাইটে www.projuktirkhela.com

to stay updated on our progress.

প্রতিবেদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রতিবেদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, জুন ১২

গুগল কে বন্ধ করে দিবে বলে হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান



বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় গুগল সার্চ ইঞ্জিনের কার্যক্রম পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধের হুমকি দেয়া হয়েছে। 
ইউটিউব থেকে ধর্মবিরোধী ও বিতর্কিত বিষয়গুলো সরিয়ে নেয়া না হলে পাকিস্তান সরকার এ কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে বলে জানান দেশটির তথ্য ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী। খবর পিটিআইয়ের।

পাকিস্তানের নবনিযুক্ত তথ্য ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী আনুসা রহমান খান তার প্রথম কার্যদিবসে গুগলের প্রতি এ হুমকি প্রদান করেন। প্রায় নয় মাস বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি পাকিস্তানে আবার চালু হয়েছে ইউটিউব।
‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ নামক একটি বিতর্কিত সিনেমার সম্প্রচারের কারণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল এ সাইটের ওপর।

ইউটিউবের স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান গুগল এর আগে বিতর্কিত বিষয়গুলো তাদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নিতে আপত্তি জানায়। তবে নতুন সরকার আসার পর গুগল এ ব্যাপারে নমনীয় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আনুসা রহমান।

তিনি বলেন,
‘এ বিষয়টি আমাদের সমঝোতার ওপর নির্ভর করে। তবে গুগল যদি তাদের অবস্থানে অনড় থাকে, তবে শেষ উপায় হিসেবে পাকিস্তানে গুগলের প্রচার বন্ধ করে দিতে হবে। এতে গ্রাহকরা কোনো সমস্যায় পড়বেন বলে মনে হয় না। কারণ ইন্টারনেটে সার্চ ইঞ্জিনের সহজলভ্যতা রয়েছে।’

ইনোসেন্স অব মুসলিমের সম্প্রচার শুরু হওয়ার পর পাকিস্তানে সহিংসতা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। 
তথ্য সূত্রঃ ইন্টারনেট

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১

কী থাকে ডেটা সেন্টারে ? আসুন জানে নেই


ডেটা সেন্টার শব্দটা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। শব্দটা শুনে মনে যে দৃশ্যটা ভেসে ওঠে তা হচ্ছে, একটি বিশাল ঘরে অনেকগুলো বড় বড় কম্পিউটার বা সার্ভার। দৃশ্যটা সত্য, তবে পুরোপুরি নয়। 

ডেটা সেন্টারে যে শুধু সার্ভার থাকে তা নয়, বরং আনুসঙ্গিক আরো অনেক কিছু থাকতে হয়। যেমন:

১. সার্ভার যে রাখবেন, তার জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজন। ডেটা সেন্টারে অবশ্যই নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে হবে। সে জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থাসহ পর্যাপ্ত ক্ষমতার ইউপিএস ও ব্যাটারি ব্যাংক রাখতে হবে। তাছাড়া কোন ইউপিএস কাজ না করলে যেন সার্ভারের কাজের ব্যাঘাত না ঘটিয়েই অন্য ইউপিএস থেকে বিদ্যুত পাওয়া যায়, তার ব্যবস্থাও রাখা হয়।

২. ডেটা সেন্টারের তাপমাত্রা এবং আদ্রতা নিয়ন্ত্রিত রাখার জন্য বিশেষ ধরণের এসির ব্যবস্থা করতে হয়।

৩. সার্ভারগুলোর সাথে যোগাযোগের জন্য সেখানে থাকে নানা ধরণের নেটওয়ার্কিং যন্ত্রপাতি। শুধু যোগাযোগ করলেই হবে না, কেউ যেন আপনার ডেটার সর্বনাশ না করতে পারে সে জন্য নানা প্রকারের প্রতিরক্ষাও প্রয়োজন। তার জন্যও প্রয়োজন ফায়ারওয়াল নামের আলাদা যন্ত্রপাতির। তাছাড়া নেটওয়ার্ক মনিটরিং এর জন্যও পৃথক ব্যবস্থা থাকে। 

৪. বিদ্যুতের তার, নেটওয়ার্কের তার ইত্যাদির আধিক্য ডেটা সেন্টারে থাকাটাই স্বাভাবিক। সেগুলোকে নানা উপায়ে গুছিয়ে রাখা হয়। ডেটা সেন্টারে সাধারণত: ফলস ফ্লোরের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে, যার ভিতরে এসব তার লুকানো থাকে। 

৫. ভূমিকম্প বা অগ্নিকান্ডে যাতে ডেটা সেন্টারের কোন ক্ষতি না হয়, সেভাবে ডেটা সেন্টারের বিল্ডিং তৈরী করা হয়। সংশ্লিষ্ট কক্ষগুলোতেও নেয়া হয় বিশেষ ব্যবস্থা। যেমন আগুন ধরলেই যাতে স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপন গ্যাস নির্গত হয় তার ব্যবস্থা রাখা হয়।

৬. ডেটা সেন্টারের সাথে বহির্বিশ্বের যোগাযোগের জন্য প্রয়োজন উচ্চ ব্যান্ডউইথ এর ডেটা সংযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই এটি ইন্টারনেট সংযোগ। পর্যাপ্ত ব্যান্ডউইথের ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে ডেটা সেন্টারের উদ্দেশ্যই ব্যহত হতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যাক-আপের ব্যবস্থাও থাকতে হবে, যেন একটি সংযোগে সমস্যা হলে অন্য সংযোগটি কার্যকর থাকে।

৭. ডেটা সেন্টারের নিরাপত্তার বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট ভবন বা কক্ষে যেন অননুমোদিত কেউ প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকে, ক্লোসড সার্কিট ক্যামেরা থাকে।

৮. ডেটা সেন্টারের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে সার্ভার। ধীরে ধীরে সার্ভারের আকারও ছোট হয়ে আসছে। এখন সাধারণত: দুই ধরনের সার্ভার পাওয়া যায় - র‌্যাক মাউন্টেড এবং ব্লেড সার্ভার। র‌্যাক মাউন্টেড সার্ভারগুলো স্টীলের র‌্যাক বা তাকে সাজিয়ে রাখা যায়। ব্লেড সার্ভারে জায়গা- যেমন অনেক কম লাগে তেমনি বিদ্যুতের চাহিদাও থাকে কম।
আমি এটি পড়েছিলাম একটি ম্যাগাজিন থেকে।☺

শুক্রবার, ডিসেম্বর ৭

নামকরা দুইজন হ্যাকার

হ্যাকিং কি?
হ্যাকিং একটি প্রক্রিয়া যেখানে কেউ কোন বৈধ অনুমতি ছাড়া কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে। যারা এ হ্যাকিং করে তারা হচ্ছে হ্যাকার। এসব কথা তোমরা প্রায় সবাই জান। আমরা প্রায় সবাই জানি হ্যাকিং বলতে শুধু কোন ওয়েব সাইট হ্যাকিং আবার অনেকের ধারনা হ্যাকিং মানে শুধু কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক  হ্যাক করা, আসলে কি তাই? না আসলে তা না। হ্যাকিং অনেক ধরনের হতে পারে। তোমার মোবাইল ফোন, ল্যান্ড ফোন, গাড়ি ট্র্যাকিং, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও  ডিজিটাল যন্ত্র বৈধ অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে তা ও হ্যাকিং এর আওতায় পড়ে।  হ্যাকাররা সাধারনত এসব ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রের ত্রুটি বের করে তা দিয়েই হ্যাক করে।

আসুন দুইজন হ্যাকার সম্পর্কে জানিঃ
Jonathan James







Jonathan James ইন্টারনেট “cOmrade”       নামে পরিচিত ছিল। তার খ্যাতি কি? তিনি হ্যাকিং এর জন্য দোষী সাব্যস্ত হয় এবং তাকে জেলে পাঠানো হয় যখন তিনি United States এ থাকাতেন। মাত্র পনের বছর বয়সে তিনি নেটওর্‍্যাকের একটি সংখ্যা হ্যাক করে। তিনি হ্যাক করেন Bell South, U.S. Depertment of Defense এবং অবশেষে NASA.
হ্যা Jonathan James নেটওয়ার্কের মধ্যে গভীর ক্ষতী আনে এবং যথেষ্ট সোর্স কোড ডাউনলোড করে নেয়। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের কাজ শিখতে। আর তিনি যা ডাউনলোড করেন তার তখনকার মুল্য ছিল $1.7 মিলিয়ন। এতে NASA এর অপমান হয় এবং NASA এর নেটয়ার্ক তিন সাপ্তাহের জন্য বন্ধ হয়ে থাকে। এরপর NASA নিয়ন্তনে অনতে ও ঠিক করতে মোট খরচ হয় প্রায়ঃ $41,000 ডলার। আর এই জন্যই বিখ্যাত হ্যাকিং এ Jonathan James।
যাই হোক Jonathan James এর কাহিনী সমাপ্ত হয় খুবই দুঃখজনক ভাবে। ২০০৭ সালে একটি বড় কোম্পানী একটি দূষিত নেটওয়ার্কের হামলার শিকার হয়। এতে Jonathan James কে সন্দেহ করা হয়, কিন্তু তিনি এতে অস্বীকার করেন এবং ২০০৮ সালে তিনি আত্নহত্যা করে। সে বিশ্বাস করতো যে এবারও তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। 

 Gary McKinnon:








মার্কিন যুক্ত্রাস্ট্রের সামরিকভাবে তাকে বৃহত্তম হ্যাকার হিসাবে ঘোষিত করে। তিনি NASA এবং 
Pentagon        কে হ্যাক করে। তাই তাকে মহান কালো টুপির হ্যাকার বলা হয়। এবং তাকে ৭০ বছরের জন্য কারাদণ্ড দেওয়া হয়, আর তাকে ইন্টানেট ব্যবহার থেকে বঞ্চিত করে। কিন্তু তিনি ৯৭ সালে ইন্টানেট ব্যবহার করায় তাকে অনেক টাকা জরিমানা ও দিতে হয়।



রবিবার, নভেম্বর ২৫

২৫ টি অসাধারন Oil Paint ছবি দেখে নিন। না দেখলে সত্যি মিস করবেন।

বন্ধুরা কোন কথা বলবো না, চলুন দেখে আসি Mike Campau এর তৈরি কিছু ছবি দেখে নেই। তিনি নিজের হাতে এই ছবি গুলো একেছেন। দেখলে মনে হয় যেন তা সত্যি নয়। কিন্তু আসলেই সত্যি। 


Mike Campau______________________________________________________________________
Tjalf Sparnaay's paintings hit the retina like bolts of lightning in a clear blue sky. No other painter confronts us quite so clearly with ordinary objects that we hold dear.
Since 1987, he has been working on his imposing oeuvre, constantly seeking new images that have never been painted before. What he calls Megarealism is part of the contemporary global art movement of Hyperrealism, and Sparnaay is now considered one of the most important painters working in that style.

His original works are exhibited and sold by art dealers in three countries: OK Harris Works of Art in New York, PlusOne Gallery in London, and the Collectie Harms Rolde Art Gallery in the Netherlands. These dealers represent him worldwide, generating interest amongst collectors and attracting attention from museums.
Prices of the original oils are between 10.000 en 45.000 euro. The Limited Edition were introduced to allow the images created by Sparnaay to live on as intensely and broadly as possible. A very limited number of reproductions are available for each Limited Edition.
In an image-saturated era where anything can be reproduced anywhere in unlimited quantities, it has become apparent that rare, unique, powerful images are cherished more deeply than ever before. 































বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২০

Machine Readable Passport আবেদন এখন অনলাইনে!!!


|♥|♥|♥ | (GOOD NEWS) |♥ |♥|♥|
Machine Readable Passport আবেদন এখন অনলাইনে!!!

এখন হতে MRP পাসপোর্টের জন্য আবেদন অনলাইনে করা যাবে। আর দালালের হাতে পায়ে ধরতে হবে না। শুধু অনলাইনে আবেদন করুন আর পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে হাতের ছাপ দিয়ে আসুন। দেশে ও দেশের বাইরে ইন্টারনেট থেকে এই আবেদন করা যাবে।
অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদনের ঠিকানাঃ http://www.passport.gov.bd/
(Site opening well with Google Chrome browser)

এই সুখবরটি ভাল লাগলে সবখানে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য পোস্টটি শেয়ার করুন...


শনিবার, সেপ্টেম্বর ৮

LCD ও LED মনিটরের পার্থক্য


মনিটর এর ক্ষেত্রে বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল  হালকা-পাতলা গড়নের এলসিডি মনিটর। কিন্তু বর্তমানে এলসিডিকে ছাপিয়ে এলইডি মনিটর ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যার মূলে রয়েছে এলইডি মনিটরের বেশ কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য। এলইডি মনিটরে ছবি দেখার সাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি এর পিকচার কোয়ালিটিও খুবই উন্নত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এলইডি মনিটর, এলসিডি মনিটরেরই একটি উন্নত রূপ। তাহলে চলুন জেনে আসা যাক এলসিডি মনিটর ও এলইডি মনিটরের মধ্যে পার্থক্য গুলো।
টেকনোলজী:
সাধারণ এলসিডি মনিটরে লাইটিং এর জন্য লাইটিং প্যানেল ব্যবহৃত হয়। দুইটি পাতলা, স্বচ্ছ কাঁচের প্যানেলের মাঝে polaraised Liquid Crystal থাকে, যা ছবি তৈরী করে। অপরদিকে এলইডি মনিটরে ব্যবহার করা হয় CCFL [Cold Cathode Fluoroscent Lamps] নামে একপ্রকার ব্যাকলাইটিং ডায়োড [Light Emitting Diode]। এর নামানুসারেই LED মনিটরের এরূপ নামকরণ হয়েছে।

পাওয়ার কনসাম্পশন:
এলইডি মনিটরের পাওয়ার কনসাম্পশন এলসিডির তূলনায় নগণ্যই বলা চলে। এলসিডি অপেক্ষা প্রায় ৪০% কম পাওয়ার খরচ করে এলইডি মনিটর।
Viewing Angle:
LED মনিটরে প্রযুক্তিগত কারণেই LCD মনিটরের চেয়ে তূলনামূলকভাবে ভালো viewing angle পাওয়া যায়। তীর্যকভাবে দেখলে LCD monitor এ যেমন রং চেন্জ হয়ে যায় মনে হয়, কন্ট্রাস্ট খারাপ মনে হয়, LED monitor এ সেইসব সমস্যা প্রায় নেই বললেই চলে।
Sun light viewing:
উজ্জল সূর্যের আলোতে এলইডি মনিটরে এলসিডির তুলনায় ভালো দেখা যায়। এইজন্য বর্তমান যুগের মোবাইল বা ট্যাবলেট পিসি গুলোতে LED বা LED এর কিছু উন্নততর সংস্করণ, যেমন AMOLED [Active-Matrix Organic Light-Emitting Diode] বা Super AMOLED ব্যবহৃত হচ্ছে।
কন্ট্রাস্ট:
LED মনিটরের ডায়নামিক এবং টিপিক্যাল উভয় প্রকার কন্ট্রাস্টই LCD মনিটরের তূলনায় বেশি। ফলে শার্প ইমেজ পাওয়া যায়। কন্ট্রাস্ট বেশি হলে “ডিটেইল” গুলোও ভালোভাবে দেখা যায়। সুতরাং গেমিং বা মুভির আসল মজা LED তেই সবচেয়ে বেশি উপভোগ করা যায়।
চোখের জন্য আরামদায়কতা:
এইদিক থেকেও এলইডি এগিয়ে রয়েছে। এলইডি মনিটরে দীর্ঘসময় ধরে তাকিয়ে থাকতেও অস্বস্তি বোধ হয়না। কিন্তু এলসিডি মনিটর সামান্য হলেও চোখের জন্য কম আরামদায়ক। মুভি দেখার জন্য LED তাই খুবই উপকারী।
স্থায়ীত্ব:
হিসাব করে দেখা গেছে একটি LCD montior ৬০,০০০ ঘন্টা [দিনে ১০ ঘন্টা করে প্রায় ১৬ বছর] পর্যন্ত চলতে পারবে যেখানে LED monitor ১০০,০০০ ঘন্টা [দিনে ১০ ঘন্টা করে প্রায় ২৭ বছর!] পর্যন্ত চলতে সক্ষম। তবে ব্যাপারটি এমন নয় যে এই সময়ের পরে মনিটর নষ্ট হয়ে যাবে… ব্যাপারটি হল: এই সময়ের পরে কেনার সময়ের সময় যেই ব্রাইটনেস ছিল, তা কমতে থাকবে।
তাপমাত্রা:
যেহেতু LED তে LCD এর চেয়ে কম বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন হয়, তাই স্বাভাবিকভাবেই LED monitor, LCD monitor এর চেয়ে কম গরম হয়।
পরিবেশ বান্ধবতা:
এলসিডি মনিটরে ব্যবহার করা হয় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পারদ। নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত না করলে তা পরিবেশের ক্ষতি করে। অপরদিকে এলইডি মনিটরে পারদ ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।
দাম:
এবার আসুন সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে…. দাম! একথা অনস্বীকার্য যে প্রায় সকলের জন্যই দাম একটা বিরাট ফ্যাক্ট। তবে এলসিডি ও এলইডি মনিটরের ক্ষেত্রে দামের পার্থক্য খুব বেশি প্রকট নয়। তুলনামূলক ভাবে এলইডি মনিটরের দাম এলসিডি মনিটরের তুলনায় বেশি। কিন্তু সবকিছু মিলিয়ে দেখলে কী LED ই বেশি ভালো হয় না?! আর পাওয়ার কনসাম্পশন হিসেব করলে তা পুষিয়েও যায়। সবচেয়ে বড় কথা, ভালো জিনিসের দাম তো বেশি হবেই!

শুক্রবার, জুন ৮

DBBL এর প্রতারণা





এবারে প্রতারণার সমস্ত রেকর্ড ভেঙ্গে ফেললো ডাচ বাংলা ব্যাংক! এখন ভাবতে হবে, কারা বড় প্রতারক, ডেস্টিনি নাকি ডাচ বাংলা ব্যাংক। দিনের পর দিন ধরে গোপনে গোপনে এই ব্যাংকটি যে মানুষের জমানো অর্থ লুট করে নিচ্ছে, এবং তার কোন প্রমাণও থাকছে না, এর জবাব কে দেবে?


ভাবতে আশ্চর্য লাগে, জনগনের সাথে প্রতারণা করা এই রকম একটা ব্যাংক কিভাবে টিকে আছে? জনগনের পকেট থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা চুরি হয়ে যাচ্ছে, অথচ কারো কোন বিকার নেই। এই ব্যাংকের মালিক কর্তৃপক্ষ কি জনগনকে ভোদাই মনে করে? তারা কি মনে করে তারা যা বোঝাবে ভোদাই জনগন তাই শুনবে?এখন একটা প্রবাদই দাঁড়িয়ে গেছে, "যখনই টাকার দরকার হয়, ঠিক তখনই ডাচ-বাংলার বুথ বন্ধ পাওয়া যায়"; ঈদের আগেরদিন তো কখনই ডাচ বাংলা বুথ ঠিক পাওয়া যায় না। দিনের পর দিন এই ব্যাংকটির প্রতারণা মাত্রা ছাড়িয়ে সব রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলছে।এই ব্যাংকটিতে সাধারণত যারা টাকা রাখে, তারা এই আশায় টাকা রাখে যে, এটিএম বুথ গুলো থেকে ১০০ টাকাও তোলা যাবে, খুব অল্প খরচে কার্ডের সুবিধা নেয়া যাবে। আর এই ব্যাংকটি যে মানব সেবার জন্য এই সুবিধা দিচ্ছে তাও না, এটা তাদেরই ব্যবসায়িক কৌশল, যত বেশি মানূষ একাউন্ট খুলবে, তাদের ব্যাংকে তত টাকা জমা থাকবে। ব্যাঙ্গের ছাতার মত তাদের এটিএম গুলোও তাদের বাপের টাকায় বানাচ্ছে না, জনগনের টাকাতেই বানাচ্ছে। কিন্তু এগুলোর সুবিধা গ্রাহক কতটা নিতে পারছে? সে প্রশ্নের কোন উত্তর এই ব্যাংকটি দেবে না।এই ব্যাংকে কারা টাকা রাখে?এই ব্যাংকে টাকা রাখে লক্ষ লক্ষ শ্রমজীবী মানুষ, ছাত্র, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অল্প বেতনের শিক্ষক, চা বিড়ির দোকানদার, গার্মেন্ট শ্রমিক থেকে শুরু করে একদম খেটে খাওয়া মানুষেরা। আর এই কারণে এই ব্যাংকের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের আচরণও অত্যন্ত অভদ্র, তারা গ্রাহকদের গ্রাহকই মনে করেন না। তারা মনে করেন সব চাষাভুষা, তারা দয়া করে তাদের ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে দিয়েছেন। কিন্তু তাদের ভাত কাপড়ের বেতনের টাকাটা যে এই চাষাভুষাদের ঘামের টাকা থেকেই আসে, সেটা তাদের কখনই মনে থাকে না।এই ব্যাংকের এটিমএম গুলোতে মাঝে মাঝেই কার্ড আটকে যায়, এবং কার্ড আটকে থাকার পরে বেশ কিছু লোকের হাজার হাজার টাকা চুরি যাবার মত ঘটোনাও ঘটেছে, এবং ব্যাংক কর্তৃপক্ষও এই নিয়ে কোন সমাধান দেয় নি। গত কয়েকমাসে তারা বিভিন্ন বেসরকারী, সরকারী কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে রীতিমত ধর্ণা দিয়ে কয়েকলক্ষ মানুষকে তাদের ব্যাংকের গ্রাহক বানিয়েছে। কথা ছিল ব্যাংকে ৫০০ টাকা থাকলেই হবে। কিন্তু গত তিন চারমাসে লক্ষ লক্ষ গ্রাহক বানিয়েই তারা এখন বেমালুম ভোল পালটে ফেলছে, তারা এখন বলছে একাউন্টে আগামী ১ জুলাই হতে যাদের সঞ্চয়ি হিসাব তাদের অ্যাকাউন্টে সবসময় ৫০০ টাকার পরিবর্তে ২০০০ টাকা এবং চলতি হিসাবধারীদের ২০০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০০ টাকা সবসময় জমা থাকতে হবে। মানে এই ২০০০ বা ৫০০০ টাকা অ্যাকাউন্টে ফিক্সড জমা রেখে তারপরের উপরিভাগ লেনদেন করা যাবে। উল্লেখ্য যে আগে সঞ্চয়ি হিসাবের জন্য ৫০০ টাকা এবং চলতি হিসাবের জন্য ২০০০ টাকা ফিক্সড রাখতে হত।আমার পরিচিত এক ছোট ভাই, যার বাবা গ্রামে একটি মুদির দোকানদার, প্রতিমাসে ২৫০০ টাকা ছেলেকে পাঠান পড়ালেখার জন্য। ঐ ছেলেটি এই ব্যাংকটিতে টাকা রাখে, কারণ মেছে বা পকেটে টাকা রাখা খুবই বিপদজনক, যেকোন সময় চুরি হয়ে গেলে পুরো মাস না খেয়ে থাকতে হবে। ঐ ছেলেটি এখন এতগুলো টাকা কোথায় পাবে?শুধু এই ছেলেটি নয়, যেই রিকশাওয়ালাটি গতমাসে একাউন্ট খুলেছে, সে এতটাকা কই পাবে? তাদের সাথে কেন এই প্রতারণা করা হলো, এর জবাব কে দেবে?এমনিতেই অব্যবস্থাপনা, এটিএম নষ্ট, টাকা নাই, দীর্ঘ লাইন, ব্যাংকের কর্মচারীদের অভদ্র ব্যবহারের পরেও কোন রকমে চালিয়ে নেয়া যাচ্ছিল। কিন্তু এখন তো এরা রীতিমত গ্রাহকদের জিম্মি করে ফেলেছে। এর বিচারের দায়িত্ব জনগনকেই নিতে হবে। অনুগ্রহ করে আজই এই ব্যাংকে আপনার একাউন্ট ক্লোজ করে ফেলুন। এই রকম প্রতারক প্রতিষ্ঠানের জনগনের ক্ষমতা বোঝার সময় হয়ে গেছে। জনগন চাইলে সরকারও বসে যায়, আর এতো সামান্য একটি ব্যাংক।



পোস্টটি করেছেনঃ আসিফ মহিউদ্দীন                                                                      



Blogger দ্বারা পরিচালিত.
জনপ্রিয় পোস্ট সমূহ

আমার সম্পর্কে

Search (Don't Edit)

ব্লগ লাইব্রেরী

বিভাগ

ইমেল দিয়ে পোস্ট এর আপডেট পেতে

Subscribe করুন

সম্প্রতিক মত্নব্য

Review projuktirkhela.blogspot.com on alexa.com